দক্ষিণ কলকাতার ঠাকুরপুকুর থানার এলাকায় এক তরুণীকে বন্ধুর বাড়িতে ডেকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগ পাওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই মূল অভিযুক্ত-সহ মোট তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার (BNS) একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শনিবার এক বন্ধুর বাড়িতে যান ওই তরুণী। অভিযোগ, সেখানে তাঁর বন্ধু জোর করে তাঁকে ধর্ষণ করে। একইসঙ্গে ঘটনাস্থলে উপস্থিত আরও দুই ব্যক্তি তাঁর সঙ্গে দুর্ব্যবহার করে এবং কারও সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পারেন, সেই উদ্দেশ্যে তাঁর মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ।
ঘটনার পর নির্যাতিতা ঠাকুরপুকুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে দ্রুত তদন্ত শুরু করে পুলিশ। কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই মূল অভিযুক্ত-সহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। ধৃতদের নাম টিংকু, কৌশিক এবং বাবাই বলে পুলিশ জানিয়েছে।
তদন্তকারীরা ইতিমধ্যে নির্যাতিতার মোবাইল ফোন উদ্ধার করেছেন। ঘটনার প্রকৃত কারণ, অভিযুক্তদের ভূমিকা এবং ঘটনার সময় উপস্থিত অন্য কোনও ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।
পুলিশ জানিয়েছে, নারী নির্যাতন সংক্রান্ত অভিযোগে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশিকা অনুসরণ করেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে এ ধরনের মামলায় দ্রুত তদন্ত ও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পুলিশের তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
অভিযোগ পাওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই মূল অভিযুক্ত-সহ মোট তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার (BNS) একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শনিবার এক বন্ধুর বাড়িতে যান ওই তরুণী। অভিযোগ, সেখানে তাঁর বন্ধু জোর করে তাঁকে ধর্ষণ করে। একইসঙ্গে ঘটনাস্থলে উপস্থিত আরও দুই ব্যক্তি তাঁর সঙ্গে দুর্ব্যবহার করে এবং কারও সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পারেন, সেই উদ্দেশ্যে তাঁর মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ।
ঘটনার পর নির্যাতিতা ঠাকুরপুকুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে দ্রুত তদন্ত শুরু করে পুলিশ। কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই মূল অভিযুক্ত-সহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। ধৃতদের নাম টিংকু, কৌশিক এবং বাবাই বলে পুলিশ জানিয়েছে।
তদন্তকারীরা ইতিমধ্যে নির্যাতিতার মোবাইল ফোন উদ্ধার করেছেন। ঘটনার প্রকৃত কারণ, অভিযুক্তদের ভূমিকা এবং ঘটনার সময় উপস্থিত অন্য কোনও ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।
পুলিশ জানিয়েছে, নারী নির্যাতন সংক্রান্ত অভিযোগে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশিকা অনুসরণ করেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে এ ধরনের মামলায় দ্রুত তদন্ত ও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পুলিশের তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
অনলাইন ডেস্ক